দশমিনায় আখ চাষিদের মুখে ভিন্ন মাত্রার আনন্দ

56
দশমিনায় আখ চাষিদের মুখে ভিন্ন মাত্রার আনন্দ
দশমিনায় আখ চাষিদের মুখে ভিন্ন মাত্রার আনন্দ

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে চলতি বছরে আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আখ চাষিদের মধ্যে ভিন্ন মাত্রার আনন্দ প্রতিফলিত হচ্ছে। এই বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কেতে পোকা মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় আখের বাম্পার ফলন হয়েছে । আখ বিক্রির উপযোগী হলেও পাইকারী কোন ক্রেতা নেই।
উপজেলার রনগোপালদীর আখ চাষি মোঃ শাহ আলম বলেন, আমি এই বছর ঋন করে প্রতি বছরের ন্যায় ২একর জমিতে আখের চাষ করেছি। আমার আখের ফলন ভালো হয়তো ৭-৮ দিনের মধ্যে আখ বিক্রি হয়ে যাবে এবং ঋন পরিশোধ করে লাভ হবে আশা করছি। একই উপজেলায় বেতাগি সানকিপুর ইউনিয়নের কালু বলেন, আখ চাষ করে প্রতি বছরই লাভবান হই আশা করছি এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে ছিলো এবং পোক-মাকড়ের উপদ্রোব তেমন ছিলোনা ফলন ভালো দামও ভালো পাবো। আখ চাষি ফোরকান, হালিম,আকন, রেজাউল, রাজ্জাক ও ইুলয়াস বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু জাফর আহম্মেদ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই বছর আখের সঠিক পরিচর্যা করতে সফল হয়েছি ফলন গত বছরের তুলনায় অনেক ভালো। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সার কিটনাশক, পোক-মাকড় নিধন বিনামূল্যে সরবরাহ করেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু জাফর আহম্মেদ বলেন, এই বছর গত বছরের তুলনায় আখ চাষে কৃষকের আগ্রহ ব্যাপক। উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৪৮০ ফার্মার ১শত ২৯ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করেছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আখ চাষিদের বিনা মূল্যে সার, কিটনাশক, পোকা-মাকড় নিধন সহ সর্বো প্রকার সহায়তা প্রধান করা হয়েছে । আখ চাষিদের খোজ খবর নেয়ার জন্য এবং প্রয়োজনীয় সঠিক সময় সঠিক তথ্য সরবরাহ করার জন্য মাঠ পর্যায় কৃষি অফিস থেকে মাঠকর্মী কাজ করেছে । আমি আশা করি আখ চাষিরা দ্বিগুন লাভ করতে পারবে আখ বিক্রি কওে এবং আগামী বছর আখ চাষে আরো চাষি এগিয়ে আসবে।