দনিয়া কলেজের ৪০ কোটি টাকা লুটপাট অধ্যক্ষ সহসকল স্টাফদের বেতন বন্ধ

1652

স্টাফ রিপোর্টার 

রাজধানীর দনিয়া বিশ্ব বিদ্যালয়ে কলেজের ৪০ কোটি টাকা লুট পাটের অভিযোগ উঠছে । এমনই অভিযোগ উপধ্যক্ষ সহ কয়েক জন শিক্ষক ও পরিচালনা পর্যদের সদস্যের বিরুদ্ধে ২০১৩-২০১৪ অর্থ বছর থেকে শুরু করে চলতি ২০১৯ ইং সালের জানুয়ারী পর্যন্ত সময়ে এই টাকা লুট পাট হয়েছে। ১৯৮৪ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে ৭ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী এবং ১৭৪ জন শিক্ষক রয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাজ থেকে ইচ্ছে মতো টিউশন ফি আদায় ও খরচ করে আসছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষক সহ কর্মচারীদের বেতন ভাতাও ঠিক মত দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন খাতে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ জমা হয়। শিক্ষা মন্ত্রনালয় সহ সরকারের কয়েকটি দপ্তরে খোজ নিয়ে জানা যায় সাবেক অধ্যক্ষ ও শিক্ষক নেতা মোঃ শাহাদত হোসাইন রানা সহ তিন জন এই সময়ের মধ্যে অবৈধ ভাবে বেতন ভাতা বাবদ ৮৮ লক্ষ টাকার বেশি নিয়েছেন। অধ্যক্ষ শাহাদাত হোসাইন রানা ১৫ লাখ টাকা, উপাধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন নিয়েছে ৬৪ লক্ষ টাকা সরকারী অধ্যাপক মোঃ জিল্লুর রহমান নিয়েছেন ৮ লক্ষ টাকার অধিক, সেলিনা ইয়াসমিন ১৩ লক্ষ, মোঃ রেজাউল করিম ৩৪ লক্ষ, মোঃ আবিদ মিয়া ২৪ লক্ষ, মোঃ মজিবর রহমান ১১ লক্ষ, মোঃ মাসুদুর রহমান ৫ লক্ষ খালেদা আক্তকার ৬ লক্ষ, মোসাঃ ফাহমিদা শারমিন ২৩ হাজার, সাগর চন্দ্র দেব নাথ ৬ লক্ষ টাকা। জানা যায় ১৯৯৯ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তদান্তে দনিয়া কলেজের কয়েক জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে অবৈধ ভাবে নিয়োগ দেয়া এবং তাদের কাজ থেকে বেতন ভাতার টাকা আদায় করার সুপারিশ করা হয়। কিন্তু আজ ও তা করা হয়নি জানা গেছে। অবৈধ ভাবে নিয়োগ পাওয় শিক্ষক কর্মচারীরা হলেন সহকারী অধ্যাপক মতিউর রহমান , (মোঃ শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, শিল্পি রায়, প্রাভাষক সিকদার মোঃ জিন নুরাইন, শাখাওয়াত হোসেন, এস এম এরশাদুল আলম, নুরুল ইসলাম, মোঃ এমদাদুল হক, আব্দুল জব্বার ও গ্রস্থাগারিক মোঃ অহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত কর্মচারী মোঃ কামরুজ্জামান। সূত্র মতে জানা গেছে দনিয়া কলেজ এর ৪০ কোটি টাকা লুট পাট এর বিষয়ে মন্ত্রনালয় হইতে তদন্ত চলছে এবং অডিড চলছে উক্ত দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে ভাতা বন্ধ বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দনিয়া কলেজ এর কয়েক শিক্ষক সংবাদ কর্মীদের জানায় পূর্বের অধ্যক্ষর চেয়ে বর্তমান অধ্যক্ষ সায়রা বেগম (শিউলি মালা) দুর্ণীতিতে কোন অংশেই কমনয় কারন কলেজের একাউন্টিং এ যিনি থাকার কথা তাকে একাউন্টিং এ দায়িত্ব না দিয়ে ঐ স্থানে শাহানাজ আক্তারকে বসানো হয়েছে। নানা অনুষ্ঠানের অজুহাতে ছাত্র-ছাত্রীদের কাজ থেকে অর্থ আদায় করে সামান্য কিছু ব্যয় করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন এছারাও অধ্যক্ষ শিউলি মালা বাংলাদেশে আওয়ামী তাতী লীগের সহ সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তর এই পরিচয় দিয়ে দাপট দেখিয়ে তার মনগড়া ভাবে কলেজ পরিচালনা করছেন। অনিয়ম ও দুর্নীতি করছে আমরা দেখছি কিন্তু মুখ খুলতে পারছিনা । পূর্বের অধ্যক্ষ যেমন শিক্ষক কর্মচারীদের চোখে ধুলা দিয়ে দাপটের সহিদ অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্য দিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তেমনি বর্তমান অধ্যক্ষ শিউলি মালা ও ক্ষমতার দাপটের মধ্যেদিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আমরা শিক্ষক কর্মচারীরা শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা ছাড়া করার কিছুই নাই।