জ্বালানী তৈল ব্যবসায়ী রাজিব এর কাছে মামুন গং এর মোটা অংকের চাঁদা দাবী

89
জ্বালানী তৈল ব্যবসায়ী রাজিব এর কাছে মামুন গং এর মোটা অংকের চাঁদা দাবী
জ্বালানী তৈল ব্যবসায়ী রাজিব এর কাছে মামুন গং এর মোটা অংকের চাঁদা দাবী

নারায়ণগঞ্জ অফিস

জ্বালানী তৈল ব্যবসায়ী রাজিব এর কাছে মামুন গং এর মোটা অংকের চাঁদা দাবী সিদ্ধিরগঞ্জ পদ্মা ডিপো থেকে রাজিব এর জ্বালানী তেল টেংকলরী আটক করে চাদা দাবী। চাঁদা না পেয়ে গাড়ী চালক ও স্টাফ কে মারধর। সন্ত্রাসী চাদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিকার চেয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় অভিযোগ।

ঘটনা সূএে জানা যায় যে, সিদ্ধিরগঞ্জ গোদনাইল বার্মাষ্ট্যান্ড নিবাসী মোঃ এবাদুল্লার পুএ মোঃ রাজিব(৩২) তার জিএফ ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে গোদনাইল পদ্মা অয়েল কোম্পানি থেকে বৈধ ভাবে সুনামের সতিত জ্বালানী তেল ব্যবসা করে যাচ্ছে।

গত ১৭ আগষ্ট মঙ্গলবার বেলা ০৪.১৫ ঘটিকার সময় পদ্মা ডিপো থেকে পূবালী ব্যাংক হতে ২৪৫৮০২০ টাকার পে -অর্ডারের মাধ্যমে ১৮ হাজার লিটার ডিজেল ক্রয় করার জন্য পদ্মা ডিপোতে প্রবেশ করে ঢাকা মেট্রো ট-১৮-৯৬৪৮ নং গাড়ি ।

ডিপো থেকে টেং লড়ীতে তেল উত্তোলন করে বের হবার পথে গোদনাইল পদ্মা অয়েল কোম্পানি সংলগ্ন বাসিন্দা মৃত শাহআলম চেয়ারম্যান এর পুএ মোঃ মামুন প্রধান(৩৫) ও মোঃ শাকিল প্রধান (৩০) তাদের সাথে থাকা সঙ্গীয় মৃত আব্দুল সাত্তারের পুত্র নাসির(৪২),ডাঃ নাসির উদ্দীন এর পুএ মোঃ সায়েম(৪০)কমর আলীর পুত্র মোঃ রাজু সহ অজ্ঞাত নামা আরো ৪/৫ জন তেলের গাড়ীর গতিপথ রোধ করে গাড়ির চালক ও স্টাফ কে বলে, এই গাড়িতে যে তেল আছে তাহা চোরাই তেল তোর মালিকে খবর দে আর বল আমাদের কে ৫ লক্ষ টাকা দিতে। যদি আমাদের দাবীকৃত টাকা না দেয় তা হলে এ গাড়ি যেতে দেয়া হবেনা।
তাদের কথার প্রতিউত্তরে ড্রাইভার ও স্টাফ বলে আমাদের এ তেল চোরাই হতে যাবে কেন, আর আপনাদের বা কেনই চাদা দিবো। আমরা বৈধ ভাবে ডিপো হতে তেল বাহির করে নিয়ে যাচ্ছি। এ কথা শুনে সন্ত্রাসী চাদা বাজ মামুন প্রধান ও তার ভাই শাকিল সহ সঙ্গীয় দলবল নিয়ে ড্রাইভার ও স্টাফ কে গাড়ী হতে টেনে হিচড়ে নামিয়ে এলোপাথাড়ি ভাবে চড় কিল ঘুসি লাথি মারতে থাকে। তাদের এলোপাতাড়ি আঘাতে ড্রাইভার ও স্টাফ প্রান বাচাঁতে চিৎকার করতে থাকলে রাস্তার আসে পাশের লোকজন আসতে থাকে। আস পাশের লোকজন তাদের হাতথেকে বাচাঁতে আসছে দেখে চাদাবাজরা প্রানে মেরে ফেলতে না পেরে কোন দিকপাশ না দেখে গাড়ীতে থাকা ১৩৩২৮২৫ টাকার একটি পে-অর্ডার ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাবার সময় এই বলে হুমকি দিয়ে যায় যে, পরবর্তীতে দেখে নিবে কি ভাবে রাজিব ডিপোতে ব্যবসা করে। বর্তমানে রাজিব সহ তার ড্রাইভার ও স্টাফ চাদাবাজদের ভয়ে আতঙ্কিত।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী সূএে জানা যায় মোঃ মামুন প্রধান বার বার অপরাধ করলেও ০৬ নং ওয়ার্ড এর প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যাচ্ছে। প্রভাবশালী সে নেতার পশ্রয়ে মামুন দিনে দিনে ভয়ংকর রুপ ধারন করে চলছে।তার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তেল ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অতিষ্ট হয়ে পড়ছে।তার সম্পর্কে আরো যানা যায় যে সে অকিল ভূইয়ার ভাই নাজিম ভূইয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি।