চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

138
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ
চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

আব্দুল আজিজ, হিলি 
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ২নং কাটলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বিরুদ্ধে সরকারি ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সাত দিনের মধ্যে ঘর দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন চেয়ারম্যান নাজির হোসেন। এনজিও’র কিস্তি আর ধারদেনা করে এই টাকা জোগাড় করেন মরজিনা বেগম। এখন পাওনা টাকা পরিশোধ করতে অনেক হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। অসহায় হতদরিদ্র মোরজিনা বেগমের ৪০ হাজার টাকা দিয়েও ঘর পাননি বলে অভিযোগ করেন।

২নং কাটলা ইউনিয়ন পরিষদে দেখা হয় ভুক্তভোগী মোরজিনা বেগমের সাথে। তিনি জানান, ইউনিয়নের উত্তর কাটলা গ্রামে বাড়ি। আমি গরিব মানুষ। আমার স্বামী থেকেও নেই। আমাকে ছেড়ে ঢাকাতে আরেকটা বিয়ে করেছেন তিনি। অনেক কষ্ট করে ৩ সন্তানকে মানুষ করছি। আমার বাড়ি ঘর না থাকার কারনে বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান নাজির হোসেন আমাকে একটি সরকারি ঘর দিতে চায়। এর বিনিময়ে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে চেয়ারম্যানের শালা (বোনের ভাই) শহীদুলের হাতে ৪০ হাজার টাকা দেই। সাতদিন অতিবাহিত হলে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন কাগজপাতি সব উপরে পাঠানো হয়েছে। অল্প দিনের মধ্যেই তেমাকে (মরজিনা) ঘর দেওয়া হবে। দেখতে দেখতে এখন প্রায় তিন বছর হলো, কিন্তু আজ পর্যন্ত চেয়ারম্যান আমাকে ঘরের ব্যবস্থা করে দেয়নি। আমি গরিব মানুষ একটি ঘরের জন্য আর কত কষ্ট স্বীকার করবো?

কাটলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির হোসেনকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, মরজিনা বেগম নামে কোন মহিলার নিকট থেকে টাকা নেয়নি তিনি। এগুলো সব মিথ্যা ও বানোয়াট কথা।

এদিকে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকার জানান, উপরোক্ত বিষয়ে তিনি অবগত নই। তাকে কেউ অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ করলে এবিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলেও জানান তিনি।