খুলনায় পদত্যাগ করলেন বিএনপির ৫৬১ নেতাকর্মী

53
খুলনা
খুলনা

ঢাকা অফিস

বিএনপির খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার ১৬টি ওয়ার্ডসহ মোট ৫৬১ নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন। কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে তারা পদত্যাগ করেন।

গতকাল রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান অপু ও সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পদত্যাগকারী নেতারা হলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির উপদেষ্টা ইস্তিয়াক উদ্দিন লাভলু, জাসাস আহ্বায়ক মেহেদী হাসান দিপু, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচি, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর গিয়াস উদ্দিন বনি, সদর থানা বিএনপির যোগাযোগ সম্পাদক সেলিম বড় মিয়া, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল হোসেন খোকন, এস এম শাহজাহান, সাদিকুর রহমান সবুজ, শেখ শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোস্তফা কামাল, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ, আব্দুল হাকিম, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল আলিম, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি এস আকরাম হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক সরদার রবিউল ইসলাম রবি, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন টারজানসহ ২৫০ জন।
এছাড়া খুলনা সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল খান কালাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কামাল উদ্দিন, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কাউন্সিলর শমসের আলী মিন্টু, সহসভাপতি ওমর ফারুক ও ডা. আব্দুস সালাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হাসান মেহেদী রিজভী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বারসহ ৩১১ নেতাকর্মী।

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে দল থেকে অব্যাহতি দেয় বিএনপি। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় খালিশপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম আরিফুর রহমান মিঠু পদত্যাগ করেন। মিঠু সদ্য বিলুপ্ত মহানগর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।