ঈদের নামাজ পড়তে দেয় না পোশাক শ্রমিকদের

166
ঈদের নামাজ পড়তে দেয় না পোশাক শ্রমিকদের
ঈদের নামাজ পড়তে দেয় না পোশাক শ্রমিকদের

ঢাকা অফিস

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখেন পোশাক শ্রমিকগন। রেমিট্যান্সের পর তাদের অবদান সবচেয়ে বেশি। এ খাতে যারা কাজ করেন তারা বড়ই অবহেলিত। অনেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিককে ঈদের দিন নামাজ পড়ার সময়টুকুও দেয়া হয় না। যা শুধুই অন্যায় নয় একদিকে যেমন অধিকারহরন অন্যদিকে ধর্মীয় আবেগে আঘাত করা হয়। গেইট পাশের নামে নামাজের সময়ে তাদের আটকে রাখা হয়। ধীরে ধীরে শ্রমিকগন নিজেদেরকে কামলা ভাবতে শুরু করেছেন। অথচ তারা হলেন যোদ্ধা। তাদের আবেগ আবদার নিয়ে কেউ ভাবেন না। তারা কারো কাছে বলতেও সাহস পায় না। তাই তারা আল্লাহর কাছে আখেরাতে বিচার পাওয়ার আশা করেন।

আরও পড়ুনঃ

সিদ্ধিরগঞ্জে বুলবুলের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত

কাহিনীর ছাপ

এমন আবেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জের পোশাক শ্রমিক মো. ইমন মাহমুদ, মো. রুহুল খান, মো. জাবেদ আলী, মো. হারুন রশীদ, মিথীলা, মো. মঈনুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান শরীফসহ অনেকে।

এ দিকে লকডাউনের কারনে বহু পোশাক শ্রমিকের জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এক হিসাব মতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। যা মোট শ্রমিকের ১৪ শতাংশ। জীবন বদলানোর স্বপ্ন নিয়ে যারা শহরে এসেছেন। তাদের জীবন হয়ে পড়েছে জীবিকাহীন। চাহিদা কমে যাওয়ায় কারখানা মালিকরা ছাটাই করছেন। এমনকি অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। তবে কর্মী ছাটাই ও কারখানা বন্ধের ক্ষেত্রে মালিকরা কোন নিয়মই মানে নি। সরকারি অধিদপ্তর ও এসোসিয়েশনগুলো মালিকদের সুবিধা ঠিক রেখে কাজ সম্পন্ন করেছে। বেতন, বোনাস, পাওনা, ক্ষতিপূরণ ও অন্যান্য সুবিধা না দিয়েই উধাও হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ছাটাইকৃত শ্রমিকদের পূনরায় চাকরি দেয়া হলেও পুরোনো পাওনা পরিশোধ করা হয় নি।