ইসলামপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

145
ইসলামপুরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুর

জামালপুরের ইসলামপুরে কর্মস্থলে পৌছার জন্য মাইক্রো, সিএনজি, ব্যাটারী চালিত অটো লেগুনা, ট্রাক্টর ও ভটভটি স্ট্যান্ডে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে ঢাকা মুখো যাত্রীদের।
রোববার (১ আগষ্ট) গার্মেন্টস ও মিল ফ্যাক্টরী খুলে দেওয়ার সংবাদ শুনে শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে ইসলামপুর উপজেলায় সিএনজি, অটো,লেগুনা, ট্রাক, ভটভটি স্ট্যান্ডগুলোতে ঢাকাগামী অসংখ্য যাত্রী নিজস্ব গন্তব্যের যাওয়ার জন্য ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে। এ সুযোগে যাত্রীদের কাজ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খোজ নিয়ে জানা যায়- ঈদের প্রথম দিন থেকে ঢাকার যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনগুন ভাড়া বেশি দিয়ে গাদাগাদি করে তিন চাকার বিভিন্ন পরিবহন ও মোটর সাইকেলে করে অনেক যাত্রীদের ঢাকায় যেতে দেখা গেছে। অধিকাংশ যাত্রী স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না; মুখে মাস্ক দেখা যায়নি অনেকের।
ভোক্তভোগী যাত্রী কালাম, আবুল হোসেন, রইজ উদ্দিন, হানিফ, সামছুল ইসলাম বলেন, “রোববার গার্মেন্টস খুলবে। ঢাকা থেকে অনেক কষ্ট করে এসেছি। সরকার যদি যানবাহন চলাচল করতে দিত তাহলে এতো ভোগান্তি হতো না। ”
ইতি, হাবিল উদ্দিন, তমছের আলী, সালমা, নাজিম, হালিমা,কোহিনুর গার্মেন্টস কর্মীরা বলেন, “আমরা গরীব মানুষ। পেটের দায়ে আমাদের যেতে হচ্ছে গন্তব্যস্থলে। একদিকে লকডাউন, আবার গার্মেন্টসও খোলা। সঠিক সময়ে আমরা না গেলে চাকুরী থাকবে না। আমরা কি করব। আমরা পড়েছি ভোগান্তিতে। তাই ৩০০ টাকার ভাড়া ১২ থেকে ১৫শ টাকা করে ভাড়া দিতে হচ্ছে।”
জানাযায়, কোভিড-১৯ মহামারী আকার ধারণ করায় সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। ঈদ পূর্ববর্তী সময়ে গার্মেন্টস কর্মীরা বাড়িতে আসে। বাড়িতে আসার পর সরকার ৫ আগষ্ট পর্যন্ত সকল ধরণের গার্মেন্টস বন্ধ ঘোষণা করে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে এতদিন শিল্প কারখানা বন্ধ রাখার বিষয়ে সরকার অনড় থাকলেও শিল্পমালিকদের বারবার অনুরোধে সে সিন্ধান্তের পরিবর্তন আসে।