আম্পায়ারকে ‘চোর’ বলে সেরেনার বিদ্রোহ

772
আম্পায়ারকে ‘চোর’ বলে সেরেনার বিদ্রোহ

ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে কাঁদছিলেন নাওমি ওসাকা। আবেগে নয় অপমানে। ‘চ্যাম্পিয়ন ওসাকা’ ঘোষণা হতেই দুয়ো দিচ্ছিলেন দর্শকরা। অথচ তাঁর কোনো দোষ নেই। প্রথম জাপানি হিসেবে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জিতে গড়েছেন ইতিহাস। সেই মাহেন্দ্রক্ষণটাই উদ্যাপন করতে পারলেন না সেরেনা উইলিয়ামস ও চেয়ার আম্পায়ার কার্লোস রামোসের দ্বন্দ্বে। ইউএস ওপেন ফাইনালে দুইবার সেরেনাকে পেনাল্টি দিয়েছেন রামোস। মানতে না পেরে তাঁকে ‘চোর’ ও ‘প্রতারক’ বলে গালি দিতে ছাড়েননি এই কিংবদন্তি। ফিরতে চাননি কোর্টেও! টেনে এনেছেন মেয়েদের অবহেলা করার মতো বিতর্ক। এ নিয়ে বিবৃতি দিতে হয়েছে ডাব্লিউটিএ ও ইউএস ওপেন কর্তৃপক্ষকে। সেরেনার পাশে দাঁড়িয়েছেন বিলি জিন কিংয়ের মতো তারকারাও।

টাইফুন, বন্যা, ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত জাপানে একরাশ সুবাতাস নিয়ে এলেন নাওমি ওসাকা। প্রথম জাপানি হিসেবে জিতলেন কোনো গ্র্যান্ড স্লাম। গত পরশু ইউএস ওপেনের ‘উত্তপ্ত’ ফাইনালে ২৩ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী সেরেনা উইলিয়ামসকে হারিয়েছেন ৬-২, ৬-৪ গেমে। এশিয়ার প্রথম নারী হিসেবে গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছিলেন চীনের লি না। এরপর কীর্তিটা চেরি ফুলের দেশের ওসাকার। ভূমিকম্পবিধ্বস্ত হোক্কাইডো দ্বীপে হতাহতদের দেখতে যাওয়ার পথে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের টুইট, ‘পুরো জাপানকে লড়াইয়ের শক্তি ও প্রেরণা জোগানোর জন্য ধন্যবাদ।’ এই দ্বীপেই থাকেন নাওমির দাদা তেতসুয়া ওসাকার। ৭৩ বছর বয়সী তেতসুয়া নাতনির খেলা দেখে গর্বিত, ‘ওকে জিততে দেখে কেঁদে ফেলেছিলাম। আশা করছি ও ২০২০ টোকিও অলিম্পিকে জিতবে সোনা।’