অক্ষয় নারী সংগঠন টাকা মেরে খায় না

121
অক্ষয় নারী সংগঠন টাকা মেরে খায় না
অক্ষয় নারী সংগঠন টাকা মেরে খায় না

শফিকুল ইসলাম আরজু

অক্ষয় নারী সংঘ এর সভানেত্রী কাজল আক্তার কে জড়িয়ে গত ০৬ আগষ্ট শুক্রবার বিভিন্ন সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “সরকারি ত্রাণ বিক্রির ৩০০ টাকা নেয়ার অভিযোগ ” এ শীরনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পর্কে জানতে চাইলে কাজল আক্তার বলেন প্রকাশিত সংবাদ আমার দৃষ্টিতে পড়ে।

আরও পড়ুনঃ

শামীমের মীরুর বিরুদ্ধে ফের মামলা

ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতারণার ফাঁদ

সকলের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই , আমি আমার সংগঠনের সদস্য তালিকা ৩৫০ জন এর নাম নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে জমাদেই সরকারি ত্রাণ সহযোগিতা পাবর জন্য। আমার সংগঠন অবহেলিত হত দরিদ্র নারী (প্রান্তিক জনগোষ্ঠীদের) নিয়ে কাজ করা সংগঠন। আমার সদস্যদের নামের তালিকা জমাদেবার পর সরকারি ভাবে তথ্য যাচাই বাছাই করে আমাদেরকে নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় (দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা শাখা)র সিল স্বাক্ষর সিরিয়াল নাম্বার সম্বলিত যে টোকেনটি দেন তা আমি গ্রহন করে আমার সদস্যদের মাঝে বিনা মূল্যে বিতরন করি। আমার সদস্যদের মাঝে সকলেই নারী এখানে কোন পুরুষ সদস্য নেই।অথচ রহিম নামে যে পুরুষ অভিযোগ করেন সাংবাদিক ভাই বোনদের কাছে তা সম্পূর্ণ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ। সরকারি ত্রাণ এর বিষয়ে কারো কাছ থেকে আমি কোন টাকা পয়সা গ্রহন করিনি।আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এর তিব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।আমি বিগত ২০০৮ইং সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয়ে নারায়নগঞ্জ জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর ও নারায়নগঞ্জ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত তালিকাভুক্ত হয়ে সরকারি দিকনির্দেশনা অনুযায়ী সংগঠনের গঠনতন্ত্র মোতাবেক সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। আমার সংগঠনের কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ আমি সরকারি বেসরকারি ভাবে বেশ কয়েকটি সন্মাননা পদক পেয়েছি। সরকারিভাবে ও এনজিও নেটওয়ার্ক এর বিভিন্ন দপ্তরের আয়োজিত সভা, সেমিনার, ও প্রশিক্ষনে অংশ গ্রহন করে সুনাম অর্জন করেছি।সারা বাংলাদেশ থেকে প্রায় অর্ধ শতাধিক সংগঠকদের নিয়ে গঠিত “সেক্স ওয়ার্কার্স নেটওয়ার্ক ” এ সংগঠনের প্রতিনিধীদের ভোটে বিজয়ী হয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হই। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে সংবাদ পএগুলোতে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে সেখানে আমার বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানেও আমি টাকা নেবার বিষটি অস্বিকার করেছি। আমার সংগঠন ছিন্নমূল গরীব দুঃখীদের জন্য কাজ করা সংগঠন এ সংগঠনের ব্যানারে আমি বিভিন্ন সময়ে শীতবস্ত্র বিতরন সহ করোনা কালিন সময়ে কয়েক দফায় সরকারি ত্রাণ সহায়তা সহ বেসরকারি ভাবেও খাদ্য বিতরন করেছি। এমনকি আমার সঞ্চয় কৃত টাকা হতে নিজস্ব অর্থায়নে রান্না করা খাবারও বিতরণ করেছি। আমি নিজেও একজন হতদরিদ্র তাই দরিদ্রতার অভাব অনটন অনুভব করেই আমার সংগঠনের মাধ্যমে অবহেলিত হত দরিদ্র নারীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যে ত্রান সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে সে সময় কোন সমস্যা হয়নি। ত্রাণ বিতরন শেষে কর্মকর্তাগন চলে গেলে হঠাৎ একজন এগিয়ে এসে আমাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করায় আমি উত্তেজিত হয়ে পরি এবং আমার হিতাহিত জ্ঞান না থাকায় আমি সকলের সাথে অশোভনিও আচরন করলেও পরক্ষনেই আমি আমার ভুল বুজতে পেরে উপস্থিত সাংবাদিক ভাই বোন সহ সকলের কাছে ক্ষমা প্রর্থনা করি। পরে জানতে পারি এগিয়ে আসা ব্যক্তিটির নাম রহিম। আমিসহ আমার সংগঠনের সুনাম নষ্ট করতে অভিযোগ কারি রহিম নামিও যে ব্যক্তি টাকার কথা বলেছেন তাকে আমি চিনিই না বা তার পরিবারের কেউ আমার সংগঠনের সদস্য নয়। এর পরও আমাকে জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আমি মর্মাহত। সংগঠনের ব্যানারে যদি আমি কোন অনিয়ম করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে থাকি বিষটি সরকারী কর্মকর্তাগন তদন্ত করে এর সত্যতার প্রমান পেলে আমার বিরুদ্ধে যে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করলে আমি তা মাথা পেতে নিবো।আর সত্যতা না পেলে যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মনগড়া অপপ্রচার ও অভিযোগ তুলে ধরার চেষ্টা করছেন তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবী করি।